{getBlock} $results={3} $label={ফিচার} $type={headermagazine}

দ্রুতগতির ট্রেনে সংযুক্ত হচ্ছে স্পেন-পর্তুগাল: ৫০ মিনিট লাগবে ভিগো থেকে পোর্তো যেতে

প্রকাশঃ
অ+ অ-
✅ Link copied to clipboard!

স্পেন ও পর্তুগালের মধ্যে নতুন দ্রুতগতির রেললাইন নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে, যা দুই দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে স্পেনের ভিগো থেকে পর্তুগালের পোর্তো যেতে মাত্র প্রায় ৫০ মিনিট সময় লাগবে। বর্তমানে এই যাত্রায় প্রায় ২ ঘণ্টা ২০ মিনিট সময় লাগে। একইসঙ্গে ভিগো থেকে লিসবন যাত্রা প্রায় ১৪০ মিনিটে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

দ্রুতগতির ট্রেনে সংযুক্ত হচ্ছে স্পেন-পর্তুগাল: ৫০ মিনিট লাগবে ভিগো থেকে পোর্তো যেতে


পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টেনেগ্রো স্পেন–পর্তুগাল শীর্ষ সম্মেলনে জানান, লিসবন–ওপোর্তো–ভিগো দ্রুতগতির রেলপথ ২০৩৩ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও স্পেনের সঙ্গে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এই প্রকল্প সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

পর্তুগাল এই প্রকল্পে সরাসরি মাদ্রিদ সংযোগের চেয়ে নিজের দেশের শহরগুলো এবং স্পেনের উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ উন্নয়নে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশটির অবকাঠামো বিভাগের ভাইস-প্রেসিডেন্ট কার্লোস ফার্নান্দেস বলেন, এই রুট পর্তুগালের শহরগুলোর উন্নয়ন এবং দেশের ভৌগোলিক কেন্দ্রীয়তা বাড়াতে সহায়তা করবে।

এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য পর্তুগালের পাশাপাশি স্পেনকেও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে, বিশেষ করে ভিগো থেকে তুই পর্যন্ত নতুন দ্রুতগতির রেল সংযোগ তৈরি করা জরুরি।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই রেল করিডোরে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করেছে। আটলান্টিক করিডোর উন্নয়নে প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ইউরো বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে মাদ্রিদ–লিসবন প্রকল্পে ইতিমধ্যে ৭৫০ মিলিয়নের বেশি ইউরো বিনিয়োগ করা হয়েছে। আর লিসবন–ওপোর্তো–ভিগো দ্রুতগতির রেল প্রকল্পে ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রায় ১১ বিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগ হয়েছে।

তবে মাদ্রিদ এবং লিসবন এর মধ্যে দ্রুতগতির ট্রেন চালুর জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে। দুই দেশের সরকার এবং ইউরোপীয় কমিশনের লক্ষ্য অনুযায়ী ২০৩৪ সালের মধ্যে এই দুই রাজধানীর মধ্যে দ্রুতগতির রেল সংযোগ চালু করা হবে, যেখানে যাত্রা সময় প্রায় তিন ঘণ্টা হবে।

এর আগে ২০৩০ সালের মধ্যে একটি সরাসরি সাধারণ ট্রেন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে মাদ্রিদ থেকে লিসবন যেতে আর ট্রেন বদল করতে না হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের লক্ষ্য হলো পরিবেশবান্ধব পরিবহন বাড়ানো, তাই বিমান ভ্রমণের বিকল্প হিসেবে দ্রুতগতির ট্রেন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।

একটি মন্তব্য করুন

💬 মন্তব্যের নিয়মাবলি:
- ভদ্র ও শালীন ভাষায় মন্তব্য করুন।
- স্প্যাম, বিজ্ঞাপন বা অপ্রাসঙ্গিক লিংক দেওয়া যাবে না।
- অশালীন বা আক্রমণাত্মক মন্তব্য মুছে ফেলা হবে।
- প্রতিটি মন্তব্য যাচাইয়ের পর প্রকাশ করা হয়।
- মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রদর্শিত হবে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন