{getBlock} $results={3} $label={ফিচার} $type={headermagazine}

ট্রাম্পের ২০ দফা গাজা পরিকল্পনা: মোদি ও এরদোয়ানের স্বাগত বক্তব্য

প্রকাশঃ
অ+ অ-
✅ Link copied to clipboard!


যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজায় যুদ্ধবিরতি ও বন্দি মুক্তি‑নির্ভর ২০ দফা পরিকল্পনা প্রকাশিত হওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এর্দোয়ান উভয়েই তা স্বাগত জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মোদি লিখেছেন, ট্রাম্পের বিস্তৃত উদ্যোগ গাজা ও ইসরাইলি জনগণসহ পশ্চিম এশিয়ার স্থায়ী শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের বাস্তব পথ তৈরি করতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে ও উদ্যোগটিকে সমর্থন দেবে।

অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান এক্সে বলেছেন, গাজায় রক্তপাত বন্ধ ও টেকসই যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে মার্কিন উদ্যোগ ও নেতৃত্বের প্রশংসা করি। তিনি যোগ করেছেন, তুরস্ক সমাবেশে অংশগ্রহণ করে এমন একটি ন্যায্য ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখতে প্রস্তুত।

ট্রাম্পের মূল বক্তব্য — সংক্ষেপে

ট্রাম্পের ২০ দফা প্রস্তাবের মূল অঙ্গগুলোকে সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরা হলো —

  • গাজা সন্ত্রাসমুক্ত ও উগ্রতামুক্ত অঞ্চল হবে, প্রতিবেশীদের জন্য হুমকি সৃষ্টি কোনওভাবেই করা যাবে না।
  • গাজার পুনর্গঠন: জীবনের মান উন্নয়ন, অবকাঠামো পুনরুদ্ধার (জল, বিদ্যুৎ, চিকিৎসা ইত্যাদি) এবং ত্রাণ‑সাহায্য বাড়ানো হবে।
  • শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময়: দুই পক্ষ সম্মত হলে লড়াই তাত্ক্ষণিকভাবে স্থগিত হবে; ইসরায়েল সীমিত ঠিকানায় সেনা সরে যাবে ও বন্দি বিনিময় শুরু হবে।
  • জিম্মিদের মুক্তি: হামাসকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমস্ত বন্দি (জীবিত ও মৃত) হস্তান্তর করতে হবে; বিনিময়ে ইসরায়েল নির্দিষ্ট সংখ্যক বন্দি ও আটককৃত গাজার বাসিন্দাদের মুক্তি দেবে।
  • হামাসের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আশ্বাস নিলে সাধারণ ক্ষমা ও নিরাপদ প্রস্থানব্যবস্থা।
  • গাজায় অস্থায়ী প্রশাসন: রাজনৈতিক নিরপেক্ষ, প্রযুক্তিবিদ‑ভিত্তিক ফিলিস্তিনি ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের কমিটি গঠন করে স্বল্পমেয়াদি শাসন পরিচালিত হবে; তত্ত্বাবধানে একটি আন্তর্জাতিক ‘Board of Peace’ থাকবে।
  • অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ: গাজার জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা, সুবিধাজনক শুল্ক ও বিনিয়োগ আর্কষণ নীতির কথা বলা হয়েছে; পুনর্গঠনের জন্য আন্তর্জাতিক অর্থায়ন থাকবে।
  • নিরস্ত্রীকরণ ও পর্যবেক্ষণ: টানেল, অস্ত্রশালা ইত্যাদি ধ্বংস করে স্থায়ীভাবে পুনর্নির্মাণ নিষিদ্ধ; স্বতন্ত্র পর্যবেক্ষকদের তত্ত্বাবধানে প্রক্রিয়া চলবে।
  • আঞ্চলিক গ্যারান্টি ও নিরাপত্তা বাহিনী (ISF): আঞ্চলিক দেশগুলো চুক্তি গ্যারান্টি দেবে; আন্তর্জাতিক ও আরব অংশীদারদের সহযোগিতায় অভ্যন্তরীণ ও সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য ISF গঠন করা হবে।
  • অন্তর্ভুক্তি ও দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য: সফল পুনর্গঠন ও প্রশাসনিক সংস্কারের মাধ্যমে ভবিষ্যতে স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথে অগ্রসর হওয়ার রোডম্যাপ তৈরি করা হবে।

একটি মন্তব্য করুন

💬 মন্তব্যের নিয়মাবলি:
- ভদ্র ও শালীন ভাষায় মন্তব্য করুন।
- স্প্যাম, বিজ্ঞাপন বা অপ্রাসঙ্গিক লিংক দেওয়া যাবে না।
- অশালীন বা আক্রমণাত্মক মন্তব্য মুছে ফেলা হবে।
- প্রতিটি মন্তব্য যাচাইয়ের পর প্রকাশ করা হয়।
- মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রদর্শিত হবে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন