ট্রাম্পের চূড়ান্ত সময়সীমা না মানলে হামাসের জন্য “নরকের দরজা”: হুঁশিয়ারি
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজার জন্য দেওয়া শান্তি প্রস্তাব গ্রহণে হামাসকে স্থানীয় সময় রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় দিয়েছেন এবং যদি তারা তা না মেনে চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে এমন কঠোর প্রতিক্রিয়া আসবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করা পোস্টে বলেছেন, তিনি যে কোনো মূল্যে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চান এবং বন্দি মুক্তি, যুদ্ধবিরতি ও অস্ত্রত্যাগসহ প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, গাজার সাধারণ জনগণ যাতে সম্ভাব্য সংঘাতে নিরাপদ স্থানে চলে আসে সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
তবে হামাস এখনও নিজ অবস্থান থেকে সরে আসেনি। হামাসের একটি শীর্ষস্থানীয় সদস্য বলেছেন, তারা যুক্তি-তর্ক করে প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে এবং শীঘ্রই তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে। কাতারসহ কয়েকটি আরব মিত্রও মধ্যস্থতার চেষ্টা চালাচ্ছে এবং হামাসকে প্রস্তাব গ্রহণে চাপ দিচ্ছে বলে জানা গেছে।
ট্রাম্পের ঘোষিত সময়সীমা ও কড়া ভাষায় সাবধানতা জারি করায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অঞ্চলটিতে ইতিমধ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও মানবিক সংকট চলছে—তাই কোনো বিরাট সামরিক প্রতিক্রিয়া মানবিক বিপর্যয় আরও তীব্র করতে পারে, এমন সতর্কতাও উঠেছে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে।
ট্রাম্প গত সোমবার ২০ দফা নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছিলেন; ওই পরিকল্পনার প্রাসঙ্গিকিরতা, বাস্তবায়নযোগ্যতা ও আন্তর্জাতিক সমর্থনই এখন বিতর্কের প্রধান বিষয়। জয়-পরাজয় নির্ধারণে এখন হামাসের প্রতিক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির গতিবিধিই মূল ভূমিকা রাখবে।
এই পরিস্থিতিতে ভূমধ্যসাগরীয় কূটনীতি ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম কেমনভাবে চলবে তা নজরদারি করছে বিশ্ব। আমরা আপডেট পাবার সঙ্গে সঙ্গে খবরটি সম্প্রসারিত করে দেব।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
💬 মন্তব্যের নিয়মাবলি:
- ভদ্র ও শালীন ভাষায় মন্তব্য করুন।
- স্প্যাম, বিজ্ঞাপন বা অপ্রাসঙ্গিক লিংক দেওয়া যাবে না।
- অশালীন বা আক্রমণাত্মক মন্তব্য মুছে ফেলা হবে।
- প্রতিটি মন্তব্য যাচাইয়ের পর প্রকাশ করা হয়।
- মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রদর্শিত হবে।