{getBlock} $results={3} $label={ফিচার} $type={headermagazine}

সমালোচনা থেকে সহানুভূতি: মাকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে রিপন মিয়া

প্রকাশঃ
অ+ অ-
✅ Link copied to clipboard!
‘মা তুমি ইড্ডা কী করলা’— রিপনের ভাইরাল ভিডিও ঘিরে উল্টো স্রোত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গত কয়েকদিন ধরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া। একদিকে টেলিভিশন প্রতিবেদনে উঠে আসা মা–বাবাকে অবহেলার অভিযোগ, অন্যদিকে ভাইরাল হওয়া এক আবেগঘন ভিডিও— এই দুই বিপরীত চিত্র মুহূর্তেই বদলে দিয়েছে বিতর্কের ধারা।

এক প্রতিবেদনে রিপনের মায়ের কণ্ঠে উঠে আসে তীব্র কষ্ট— “খুব কষ্ট করে মানুষ করছি, এখন পরিচয়ও দেয় না। আমরা গরিব, পরিচয় দিলে যদি ওর মান-ইজ্জত না থাকে!”

এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই রিপনকে ‘অহংকারী’ ও ‘অবজ্ঞাকারী সন্তান’ বলে সমালোচনা করতে থাকেন।

তবে পুরো ঘটনাটি নাটকীয় মোড় নেয় এক আবেগময় ভিডিও প্রকাশের পর। ভিডিওতে দেখা যায়, কান্নায় ভেঙে পড়েছেন রিপন মিয়া, জড়িয়ে ধরেছেন মাকে। ভরা গলায় বলছেন—

“তোমারে দেহি না আমি? আব্বারে দেহি না আমি? তুমি ইড্ডা কী করলা? আমার জীবনডা শেষ করলা!”

ভিডিওতে মাও ছেলেকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছেন। এই দৃশ্য মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে পড়ে, সামাজিক মাধ্যমে তৈরি হয় সহানুভূতির ঢেউ।

ভিডিওটি প্রকাশের পর অনেকের মনোভাব পাল্টে যায়। যারা কিছুক্ষণ আগেও রিপনের কঠোর সমালোচনা করছিলেন, তারাই এবার বলছেন—

“মা–ছেলের সম্পর্ক পবিত্র। ভুল হতে পারে, কিন্তু অনুতাপ থাকলে ক্ষমা প্রাপ্য।”

নেত্রকোনার এক কাঠমিস্ত্রির ছেলে রিপন মিয়া প্রথম আলোচনায় আসেন ২০১৬ সালে একটি ভাইরাল ভিডিওর মাধ্যমে—

“বন্ধু তুমি একা হলে আমায় দিয়ো ডাক, তোমার সাথে গল্প করব আমি সারা রাত।”

সহজ-সরল আবেগ আর আঞ্চলিক ভাষার কারণে ভিডিওটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। এরপর থেকে তার খ্যাতি আকাশচুম্বী হলেও, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিতর্কও পিছু নেয়।

একটি মন্তব্য করুন

💬 মন্তব্যের নিয়মাবলি:
- ভদ্র ও শালীন ভাষায় মন্তব্য করুন।
- স্প্যাম, বিজ্ঞাপন বা অপ্রাসঙ্গিক লিংক দেওয়া যাবে না।
- অশালীন বা আক্রমণাত্মক মন্তব্য মুছে ফেলা হবে।
- প্রতিটি মন্তব্য যাচাইয়ের পর প্রকাশ করা হয়।
- মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রদর্শিত হবে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন